দিনহাটায় অমিত সরকারের মৃত্যুর পিছনে কি বিজেপি গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব? জল্পনা তুঙ্গে

 






পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে তত মরিয়া হয়ে উঠেছে বিজেপি।  ক্ষমতায় আসতে চায় বিজেপি বাংলায়। হিংসার ঘটনা থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে আঘাত নিয়ে অশ্লীল কথা বার্তা থেকে লাশের রাজনীতি কিছুই বাদ দিচ্ছে না বঙ্গ বিজেপি। কেন্দ্রীয়  নেতৃত্ব ঘন ঘন মিটিং করছে বাংলায়। বিজেপির অন্দরেও গোষ্ঠীকোন্দল লেগেছে প্রার্থী তালিকা নিয়ে। শাসকদলেও প্রাথী তালিকা নিয়ে অশান্তি হলেও খুব তাড়াতাড়ি মিটিয়ে নেওয়া হয়েছে। সব জেলাতেই বিজেপি কর্মীরা অসন্তুষ্ট প্রার্থী তালিকা দেখে। তাই পার্টি অফিস ভাঙচুর, তালা দেওয়া, আগুন জ্বালানো, হেস্টিংস পার্টি অফিসে বিক্ষোভ কিছুই বাদ রাখছে না বিজেপি কর্মীরা। 

 

ঘটনার সূত্রপাত ঠিক এখানেই।  দিনহাটায় বিজেপি প্রার্থী করে কুচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিককে। দিনহাটার বহু পুরোনো বিজেপি কর্মী নিশীথ প্রামাণিককে প্রার্থী হিসেবে মেনে নিতে পারেনি।  শুরু হয় বিক্ষোভ, পোস্টারের ছয়লাপ হয়ে যায় দিনহাটা বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে। অমিত সরকার সক্রিয় বিজেপি কর্মী এই বিক্ষোভে সামিল ছিলেন। সূত্রের খবর অমিত সরকার দিনহাটায় খুবই সক্রিয় পুরোনো কর্মী এবং প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই সক্রিয় ভাবে বিক্ষোভ দেখান। আজ সকালে অমিত সরকারের ঝুলন্ত লাশ পাওয়া গেছে। এলাকা বাসি স্তব্ধ বাকরুদ্ধ! 


পুরোনো এক বিজেপি কর্মী ও অমিত সরকারের এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী বলেন এটা খুন ও আঙ্গুল তোলেন বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকের দিকে।  আরও বলেন, " আমরা নিশীথের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলাম বলে হুমকি পাচ্ছিলাম। বাড়ির লোককেও দেওয়া হচ্ছিল প্রাণে মারার হুমকি। অমিত খুব সাহসী ছেলে সব জেনেও আমাদের মনোবল ভাঙতে দেয়নি।" কেঁদে ফেলেন ওই যুবক আর বলেন, "আজ যে আমাদের মনোবল বাড়িয়ে তুলেছিল তাকেই খুন করে দেওয়া হল।" দিনহাটার আদি কর্মীরা ভোটের কাজ করবেন না বলে জানিয়ে দিলেন এবং দোষীর শাস্তির দাবি করলেন। 

Comments