তিনি বলেন, শিহরের অত্যাচার দেখে শিহরিত হয়েছিলাম। এতো তাড়াতাড়ি সব ভুলে গেলে চলবে না। মানুষ মেরে সুড়ঙ্গ দিয়ে মৃতদেহ পাচার করে দিত। এখন বাঁকুড়া, মেদিনীপুর শান্তিতে আছে বলে সিপিএম বিজেপির খুব রাগ। এরা একসঙ্গে চক্রান্ত করে, বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে, কিছু প্রেসের মাধ্যমে গত লোকসভায় টাকা ছড়িয়ে ভোটে জিতেছে।
তিনি বলেন, তৃণমূল করতে গেলে, ত্যাগী হতে হবে, লোভী হলে তৃণমূল করা যাবে না। ভোটের আগে টাকা দিলে নিয়ে নেবেন, ওটা আপনাদের টাকা। কিন্তু, ওদের ভোট দেবেন না। ফ্রেট করিডর তৈরি হলে ২৫ লক্ষ চাকরি হবে বাংলার ছেলে মেয়েদের। একসময় এখানে ১৫ শতাংশ মানুষ পানীয় জল পেত। আজ ৭৫ শতাংশ মানুষ পায়। বিজেপি দেশের অভিশাপ, এদের জব্দ করতে হবে একজোট হয়ে। আমাদের সরকার মানবিক, সামাজিক সুরক্ষা দেয়। তৃণমূল দেশকে টুকরো করতে দেবে না। এখন থেকে আমি সরকার ও দল দুটোই দেখবো। আমিই কর্মী, আমিই পর্যবেক্ষক।

Comments
Post a Comment