পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির রাজ্য সহ-সভাপতির পদ অলংকার করে এতদিন যিনি, সেই চন্দ্র বসুই কি এবার তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন, রাজনৈতিক মহলে বাড়ছে জোর জল্পনা।
গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিট থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি ভোটের ময়দানে নেমে লরেছিলেন চন্দ্র বসু। প্রায় প্রতিদিনই খবরের শিরোনামে দেখা গেছে চন্দ্র বাবুকে। বাংলার বুকে মমতার বিরুদ্ধে লড়ার মতো বুকের পাটায় জোর আর কটা মানুষের থাকে। বিজেপির ডাকে দলে এসেই নিজের দমে পথে প্রান্তরে এগিয়েছিলেন নেতাজির পরিবারের অন্যতম চন্দ্র বসু।
মমতার বিরুদ্ধে জেতা হয়ত বিজেপির দলের প্রার্থী হিসেবে কোনদিনই সম্ভব ছিল না, তা জেনেই নেমেছিলেন ও ভোটেও তাই হয়েছে। মমতার বিরুদ্ধে হারলেও ভোট আগের থেকে অনেক বেশি ভোট বাড়িয়েছিলেন চন্দ্র বসু।
তারপর থেকে গঙ্গার বুকে বয়ে গেছে অনেক জল, তৎকালীন সভাপতি রাহুল সিনহাও আজ দলের বিরুদ্ধে নেমে গেছে, দিলীপ ঘোষের প্রতিদিনের ভুলভাল কথা বলায় দলের ছবিতে অনেক কালি ছিটেছে। সাম্প্রদায়িক উস্কানি দিয়ে ঝামেলা বাঁধতে বিজেপি আইটি সেল ক্রমশই উদ্যোগী হয়েছে। দিকে দিকে লাশের রাজনীতি, পুলিশের বিরুদ্ধেও হুমকির ফোয়ারা যখন চলছে, তখন স্বভাতই বাঙালির আবেগের নেতাজির বংশধর চন্দ্র বসুকে নিয়ে সবাই বলতে শুরু করেছিলেন যে Right person in Wrong Party, অর্থাৎ ভালো মানুষ ভুল দলে।
সবার মনের কথা সত্যিই বুঝতে পেরেছে চন্দ্র বসু। তাকেও গত ৬মাস ধরে বিজেপির থেকে দূরত্ব বজায় রেখে চলতে দেখা যাচ্ছে। সহ-সভাপতি পদ ছেড়ে দিয়েছেন নিজেই। প্রকাশ্যে সরাসরি বিজেপি এখনো না ছাড়লেও নেতাজির বংশধর চন্দ্র বসুর টুইটার খুললেই বোঝা যাবে তিনি কতটা STRAIGHTFORWARD ভাবে কাজ করেন। টুইটারে বহুবার তৃণমূলের সমর্থকদের সাথে টুইটের সহমত পোষণ করতে দেখা গেছে ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি ভালো মনোভাব দেখাতে দেখা গেছে চন্দ্র বসুকে।
তাহলে কি সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এবার তৃণমূলে সাড়ম্বরে আসছেন চন্দ্র বসু ? কেমন হতে চলেছে নয়া সমীকরণ ?
সময়ই বলবে আগামী দিনে কি হতে চলেছে, তবে চন্দ্র বসুর মতো ভদ্র মানুষের যথেষ্ট প্রয়োজন রাজনীতির ময়দানে। এনাদের মতো মানুষ সামনের সারিতে থাকলে দেশের মঙ্গল। যেকোন দলের জন্য সম্পদ নেতাজির বংশধর চন্দ্র বসু। আগামী দিনে তার জন্য শুভেচ্ছা রইল।

Very good
ReplyDelete