বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ মঙ্গলবার দিল্লিতে এই প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন, ‘‘ভোট যত এগিয়ে আসছে, আমাদের দলের মধ্যে বিভাজন এবং পরস্পরের প্রতি সন্দেহ তৈরি করার চেষ্টা করছে তৃণমূল। তাদের কৌশল— আমাদের মনোবল ভাঙার চেষ্টা করা।’’ সূত্রের খবর, বিজেপিতে কাজের উপযুক্ত ‘সুযোগ’ ও ‘পরিসর’ না-পেয়ে মুকুলবাবু ‘অস্বস্তি’তে আছেন। এই অবস্থায় পুরনো দল তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হচ্ছে বলেও গুঞ্জন। যদিও মুকুল বা তৃণমূল— কারও তরফেই এই জল্পনার কোনও সমর্থন মেলেনি। তবে দিলীপ স্বয়ং বিজেপিতে বিভাজনের জন্য তৃণমূল সচেষ্ট বলে মন্তব্য করায় গোটা বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ মাত্রা পেল বলে অনেকের ধারণা।
তৃণমূল সাংসদ ও আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যােয়র কটাক্ষ, ‘‘দিলীপবাবু কি চান মুকুলের নাম সরাসরি অভিযুক্ত হিসেবে সত্যজিৎ-মামলার চার্জশিটে থাক? মুকুল তো সারদা-মামলাতেও সন্দেহভাজন, এখনও অভিযুক্ত নন। দিলীপবাবুর এটাও জেনে রাখা উচিত।’’
মুকুল এ দিন কলকাতায় বলেন, ‘‘কেন আদৌ চার্জশিটে আমার নাম আছে, কেন সন্দেহভাজন হিসেবে আছে— এ সব কিছুই আমি জানি না।
গত বছর ৯ ফেব্রুয়ারি, হাঁসখালিতে বাড়ির কাছে খুন হন সত্যজিৎ। সিআইডি পাঁচ জনকে গ্রেফতার করে। পরে তিন জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করা হয়। প্রমাণাভাবে নিষ্কৃতি পান দু’জন। অতিরিক্ত চার্জশিটে নাম আসে জগন্নাথ এবং মুকুলের।
Source - Anandabazar

Comments
Post a Comment