আর এইখানেই বাজিমাত করতে চাইছে শাসক দলের ছাত্রসংগঠন তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। একসাথে কতজন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য শুনছেন, তা তুলে ধরে বিরোধীদেরকে চ্যালেঞ্জ জানানোর পরিকল্পনা করেছেন শাসকদলের ছাত্রনেতারা। জানা গেছে, ইতিমধ্যেই রাজ্যের তরফে সমস্ত ছাত্রনেতাদের বলা হয়েছে, দলনেত্রী যখন বক্তব্য রাখবেন তখন কমেন্টে শিক্ষা সংক্রান্ত প্রশ্ন এবং প্রচারের ওপর সবথেকে বেশি জোর দিতে হবে।
এছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়ায় মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বক্তৃৃতা আরও বেশি করে সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য 7 দিন আগে থেকে প্রচার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্যের তরফে। অর্থাৎ কোনভাবেই এই ভার্চুয়াল সভায় যাতে ভাটা না পড়ে এবং বিরোধীরা যাতে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে না পারে, তার জন্যই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এই উদ্যোগ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। একাংশের মতে, সামনেই 2021 এর বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে শিক্ষা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য, বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে অস্বস্তিতে ফেলতে উদ্যোগী।
তাই এমত পরিস্থিতিতে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভার্চুয়াল সভায় বক্তব্য রাখবেন, তখন তার বেশি প্রচার করে বিরোধীদের বক্তব্যকে খন্ডন করাই সবথেকে বড় লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের। এদের এই প্রসঙ্গে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এক নেতা বলেন, “অন্যান্য বছর সমাবেশ ঘিরে একটা বাড়তি উদ্দিপনা তৈরি হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোতে ছাত্রছাত্রীরা নানা কর্মসূচি নিয়ে থাকে। কিন্তু এবার তা হচ্ছে না। তাই যত বেশি সম্ভব, ছাত্রছাত্রীকে ওই কর্মসূচি চলাকালীন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিউয়ার বা দর্শক বাড়াতে হবে।”
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একুশে জুলাইয়ের ভার্চুয়াল সভায় ব্যাপক অংশগ্রহণ চোখে পড়েছে বলে তৃণমূল কংগ্রেস দাবি করে। কিন্তু এর থেকে অনেক বেশি দর্শক হত বলে দাবি করে সমালোচক মহল। আর এই পরিস্থিতিতে দলের ছাত্রসংগঠনের সমাবেশে যাতে ব্যাপক সংখ্যক দর্শক পাওয়া যায়, তার জন্য এখন থেকেই উদ্যোগী হয়ে পড়ল তৃণমূল কংগ্রেস। তবে তাদের এই টার্গেট এখন কতটা সফলতা র্টপায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।
Source - PriyoBandhu

Comments
Post a Comment