
আজ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভায় মমতার বক্তব্য দেখুন এক নজরে
- অন্যান্য বছর মেয়ো রোডে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে আমাদের সমাবেশ হয়। সকলে হাসি মুখে সেই সমাবেশে দলবদ্ধভাবে অংশগ্রহণ করেন
- গত পাঁচ মাস ধরে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ। সকলেই বাড়িতে বন্দি, স্কুল কলেজে ফিরে যেতে চায়
- এই এতোদিন ধরে সবাইকে ঘরে বসে থাকতে হয়েছে। সকলের একটা মানসিক দুশ্চিন্তা ছিল
- ছাত্র ছাত্রীদের চিন্তা ছিল পরীক্ষা হবে কিনা, হলেও পরীক্ষা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হতে হবে কিনা। সকলেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন
- হঠাৎ করে সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে, গায়ের জোরে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে গিয়ে পড়ুয়ারা বিপর্যস্ত
- স্কুল শিক্ষা আমাদের হাতে আছে বলে আমরা স্কুলের পরীক্ষা নিচ্ছি না। মাধ্যমিক- উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট বেরিয়ে গেছে
- চিন্তা হচ্ছে কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা,NEET, ZEE নিয়ে
- কয়েকদিন আগে আমরা বেশকিছু রাজনৈতিক দল মিলে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমরা সুপ্রীম কোর্টে রিভিউ পিটিশন করবো
- ৬টি রাজ্য মিলিতভাবে সুপ্রীম কোর্টে আবেদন করেছি NEET, JEE পরীক্ষা পেছোনোর জন্য। মলয় ঘটক আমাদের রাজ্য থেকে পিটিশনার ছিলেন
- আমি কোর্টকে দোষ দেব না। আমি কেন্দ্রকে বলব, ছেলে মেয়েদের কেন বিপদে ফেলছেন
- এপ্রিল মাসে কেন্দ্র চিঠি দিয়ে বলেছিল পরীক্ষা নেওয়ার প্রয়োজন নেই। কলেজ/ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনাল পরীক্ষা শুধু হবে
- এমনকি হলো? তখন সুরক্ষার কথা বলা প্রয়োজন ছিল। পড়ুয়াদের সুরক্ষার জন্য অ্যাডভাইসরি দেওয়া হয়েছিল। জুলাই মাসে আরেকটা চিঠি দিয়ে বললো পরীক্ষা নিতে হবে
- অনেক রাজ্য UGC'র প্রথম গাইডলাইন অনুযায়ী রেজাল্টও দিয়ে দিয়েছে। কেন্দ্রকে বলবো, মানুষের উত্তর দিতে পারবেন তো?
- IIT গুলোতে পরীক্ষা হয়েছে? তারা তো সেরা প্রতিষ্ঠান। কোথাও পরীক্ষা হচ্ছে কোথাও হচ্ছে না
- এখনও ট্রেন চলছে না, পরিবহন স্বাভাবিক না
- অনেকে মাইনে পাচ্ছে না, চাকরি চলে গেছে, এমন সময় ছাত্রছাত্রীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন কেন?
- অনেকেই ভিন শহরে বা অন্য রাজ্যে গিয়ে পরীক্ষা দেন। এরা যদি সেন্টারে পৌঁছাতে না পারে, দায়ী থাকবে কে?
- যে গাইড লাইন আজ দেওয়া হয়েছে, বলা হয়েছে রাজ্য সরকার পরীক্ষা পিছোনোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে
- নতুন শিক্ষানীতি কারো সাথে সিদ্ধান্ত না নিয়েই তৈরি করা হয়েছে
- দেশ ভয়ঙ্কর পথে যাচ্ছে। বলছে নাকি ১০, ১২ শ্রেণীর পরীক্ষাও তুলে দেবে
- শিক্ষামন্ত্রীকে বলবো কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে আগামী তিন দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিন পরীক্ষার ব্যাপারে
- সেপ্টেম্বর মাসে পরীক্ষা হবে না। পুজোর আগে করা যায় কিনা দেখে নিন।
- কেন্দ্র শুধু বসে বসে ভাষণ দেয়
- আমাদের ছাত্রছাত্রীরা শুধু বাংলা নয়, সারা দেশের সম্পদ
- মিথ্যের কালো চাদর ছিন্ন করে ছাত্রছাত্রীরা এগিয়ে এসে শপথ নিন
- কোটি টাকা খরচ করে ফেক নিউজ তৈরি করা হচ্ছে
- রাজ্যকে টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। GST Compensation দেওয়া হচ্ছে না
- আগে প্ল্যানিং কমিশন তুলে দেওয়া হয়েছে। যাদের কোনও নীতি নেই, তাদের আবার আয়োগ
- আঞ্চলিক সংবাদ মাধ্যম সত্য পরিবেশন কিছুটা হলেও করে, জাতীয় সংবাদ মাধ্যম শুধু বিজেপির কথা শোনে
- এখন অতিমারী চলছে। এরপর CAA, NPR, NRC চাপিয়ে দেওয়া হবে
- আগে বলা হতো জিভে সরস্বতী। বিজেপি নেতাদের জিভে কি আছে তা বলা অশোভনীয়। না আছে কোনও অনুভূতি, না আছে উপলব্ধি
- নির্বাচনের সময় মানুষকে টাকা দিয়ে বলে ভোটটা দাও। আপনারা টাকা নেবেন, কিন্তু ভোট উল্টে দেবেন
- দেশে চাকরির অবস্থা খুব খারাপ। কয়েক কোটি বেকার তৈরি হয়েছে
- আমরা গর্ব করে বলতে পারি, আমরা একটা ক্লিকের মাধ্যমে ৪৯ লক্ষ মানুষকে সামাজিক ভাতা প্রদান করেছি গতকাল
- আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে - হয় লড়বেন, নয় মরবেন
- আমরা লড়ে দেখাবো। ছাত্রছাত্রীরা লড়বে, গড়বে, হাসবে, জয় করবে, বিজেপির কালো মুখোশ টেনে খুলে দেবে
- আমরা সকলে বিজেপির অত্যাচার দেখেছি- জামিয়া থেকে JNU, সব জায়গাতেই
- বাংলা দারিদ্র দূরীকরণে এক নম্বরে, ১০০দিনের কাজে এক নম্বরে। আমরা ১০ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিকের মধ্যে ৭ লক্ষ শ্রমিককে কাজ দিয়েছি
- বাংলা এগিয়ে চলে, বাংলা থেমে থাকে না
- আমাদের ৬০,০০০ কোটি টাকা দেনা শোধ করতে হয়।
- আমাদের ৫২,০০০ কোটি টাকা রাজস্ব কমে গেছে। তাও আমরা সরকারী কর্মচারীদের মাইনে দিচ্ছি ১তারিখেই
- MSME-র ক্ষেত্রে ১কোটি মানুষকে চাকরী দিয়েছি। এক লক্ষ যুবককে ব্যাঙ্ক লোন দেবো ৩বছরের জন্য।
- উৎকর্ষ বাংলা প্রকল্পে ৬ লক্ষ যুবক যুবতীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়
Comments
Post a Comment