কদিন আগে তৃণমূলের মুখপাত্র তথা পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক দেবাংশুর একটি ফেসবুক পোস্ট ঘিরে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি। দেখে নিন একবার সেই পোস্ট।
তারপরেই উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলার রাজনীতি। স্বাভাবিক ভাবেই বিজেপির ১৮টি সাংসদের মধ্যে যদি শুরুতেই ৪জন সাংসদ তৃণমূলে এসে যায়, বিজেপি কমে ১৪ হয়ে যাবে ও যথাক্রমে তৃণমূলের শক্তি বৃদ্ধি হয়ে ২২থেকে ২৬ হয়ে যাবে। এই সংখ্যাটা মোটেও কম নয়, কেননা ৪টি লোকসভা মানে ২৮টি বিধানসভা। কার্যত বিজেপি একেতেই গোষ্ঠীদণ্ডে জর্জরিত, তার ওপর দিয়ে প্রতিদিন জেলায় জেলায় চলছে ভাঙ্গন। তার ওপর এই ৪জন সংসদের ভাঙন যে ২১শে ভোটের আগে বিজেপির মনোবল ভেঙে ফেলবে তা বলাই বাহুল্য।
আমরা ফেসবুকে কান পাতলে ও বিভিন্ন বড় বড় সংবাদ মাধ্যমের সাথে যোগাযোগ করতে পেরে এই 'মহাভাঙ্গনের' কিছুটা আভাস পেতে পেরেছি। যদিও এখনো সবটাই জল্পনা, কেননা এখনো কোনও পক্ষই পরিষ্কার ভাবে এই বিষয়ে কিছু প্রকাশ্যে জানায়নি। দিলীপ ঘোষ নেহাতই সব সংবাদ মাধ্যমে প্রতিটি ঘাটনাকেই তৃণমূলের চক্রান্ত বলে দাবি করেছেন, এদিকে তৃণমূল নীরব থেকে সময়ের অপেক্ষা করতে বলছে।
তবে ফেসবুকের গুঞ্জন কিন্তু বাস্তবের সাথে প্রতিবার মিল রেখে দেয়। আমরা সব যাচাই করে যে আভাস টুকু পেয়েছি তা ১০০% সঠিক আমরাও বলতে পারব না, কিন্তু সম্ভবত বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ২১শের আগেই যুক্ত হতে চলেছে ১. নিশীথ প্রমনিক (সংসদ) ২. এস. স আহলুওয়ালিয়ায় (সংসদ) ৩. খগেন্দ্রানাথ মুর্মু (সংসদ) ৪. জন বড়লা (সংসদ)
১জন বিধায়কও যুক্ত হবার কথা রয়েছে, তিনি সম্ভবত মুকল পুত্র সুভ্রংশু রায়।
ও মুকুলের তৃণমূলে ফেরার কথা তিনি অস্বীকার করলেও, বাস্তবে তৃণমূলের মুখপাত্র কুনাল ঘোষের সাথে বৈঠক করেছেন। তাই মুকুলের যোগদানও সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে হচ্ছে।
বাস্তবে কবে হবে এই দলবদল সভা, তা সময়ই বলবে


TMYC JINDABAD,HARIBHANGA ANCHAL TMYC JINDABAD .
ReplyDelete