২১শে জুলাই থেকে ২১দখলের ডাক দিদির - দেখে নিন কি কি বললেন দিদি

আজ ২১শে জুলাই থেকে কি বার্তা দিলেন দিদি ? দেখে নিন এক নজরে

  • এ বছর ধর্মতলায় সভা করতে না পারার জন্য আমরা মর্মাহত। কিন্তু কথা দিচ্ছি, আগামী বছর ২১ জুলাই ধর্মতলায় ঐতিহাসিক সমাবেশ হবে।

  • ২১ মে বিধানসভার ফল প্রকাশ হবে। তার পর যে একুশের সভা হবে তা হবে এ যাবৎ সর্ববৃহৎ। তার প্রস্তুতি এখন থেকেই চলবে।

  • আমি আগেই বলেছি ২১ জুন পর্যন্ত বাংলার গরিবরা বিনামূল্যে রেশনের চাল গম পাবেন। আজ বলছি, আমাদের সরকার থাকলে শুধু ২১ জন নয়, সারাজীবন ফ্রিতে রেশন পাবেন, শিক্ষা পাবেন, স্বাস্থ্য পরিষেবা পাবেন।

  • আমি ইনকাম করব অন্য জায়গা থেকে, কিন্তু তা বাটোয়ারা করে দেব গরিবদের মধ্যে। মনে রাখবেন, একটা গাছে অনেক ফল ফলে, কিন্তু কেউ সেটা একা খায় না। সেই ফল অনেকে মিলে খায়।

  • বহিরাগতরা বাংলা চালাবে না। বাংলা চালাবে বাংলার লোকেরা। তৃণমূল কংগ্রেসকে এত দুর্বল ভাবার কারণ নেই।

  • কিছু লোক রয়েছে যাদের সকাল থেকে জিহ্বা লকলক করে। যাদের না আছে, না আছে রাজনীতির বোধ, না আছে দর্শন, না আছে বুদ্ধি। কখনও বলছে এনকাউন্টার করে দেব, কখনও বলছে জ্বালিয়ে দেব, কখনও বলছে পুড়িয়ে দেব, কখনও বলছে মেরে পা ভেঙে দেব।

  • আমি তাদের বলছি, তোমাদের জন্মটা কোথায় শুনি! কখনও তো শুনিনি রাজনীতি করেছেন। কখনও তো শুনিনি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। খালি ধ্বংসের কথা! এতই সহজ!

  • আমরা ভুলে যাইনি এনপিআর-এর (ন্যাশনাল পপুলেশন রেজিস্টার) লড়াই। আমরা ভুলে যাইনি এনআরসি-র (ন্যাশনাল রেজিস্টার অব সিটিজেনস, জাতীয় নাগরিক পঞ্জি) লড়াই। ভাববেন না কোভিড চলছে বলে এনআরসি ভুলে যাব।

  • শুধু মিথ্যা কথা। কখনও হিন্দুর সঙ্গে মুসলমানের লাগিয়ে দেওয়া, কখনও রাজবংশীর সঙ্গে কামতাপুরীদের লাগিয়ে দেওয়া, কখনও আদিবাসীদের সঙ্গে তফসিলিদের লাগিয়ে দেওয়া। কীসের রাজনীতি চলছে?

  • মাঝে লোকসভা ভোট হয়েছে। কয়েকটা সিট পেয়ে ভাবছে কী না কী করে ফেলেছে। গুন্ডামি, বদমায়েশি করে চলেছে।

  • প্রতিদিন কমপ্লেন করছে। বাংলায় নাকি আইনশৃঙ্খলা নেই। যাও বাঁকুড়ায় গিয়ে দেখে এসো, হাওড়ায় গিয়ে দেখে এসো, বসিরহাটে গিয়ে দেখো, হুগলিতে দেখো, গঙ্গাসাগরে দেখো। কোথায় আইনশৃঙ্খলা নেই!

  • রেলওয়ে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে, কোল ইন্ডিয়া টোটাল বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। কোভিডের নাম করে পাঁচ বছরের জন্য ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কোভিডের নাম করে পিএফের টাকা ফ্রিজ করে দেওয়া হচ্ছে। মাইনে কেটে নেওয়া হচ্ছে। একমাত্র বাংলায় কর্মচারীদের মাইনেতে হাত পড়েনি।

  • রেশন দোকানে যে ভাল চাল পান সেটা বাংলায় উৎপাদিত চাল। যে খারাপ চাল পান, সেটা ফুড কর্পোরেশনের মানে দিল্লির পাঠানো পচা চাল।

  • সারাদেশে বেকারত্বের হার যখন ৪৫ শতাংশ বেড়েছে, তখন বাংলায় বেকারত্ব চল্লিশ শতাংশ কমে গেছে। গর্ব করবেন না? সংখ্যালঘু স্কলারশিপ সারা দেশের মধ্যে সবথেকে বেশি কোথায় দেওয়া হয়? বাংলায়। ২ কোটি ৩৮ লক্ষ স্কলারশিপ দেওয়া হয়েছে।

  • শান্তিতে কোনও দিন কাজ করতে পারিনি। কথায় কথায় অপমান করেছে। আমিও একটা মানুষ। যন্ত্র নই। সারাজীবন লাঞ্ছনা, গঞ্জনা সহ্য করেছি। বামেরা যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন রোজ অত্যাচার করেছে। এখন বিজেপি কথায় কথায় অসম্মান করছে। কথায় কথায় চক্রান্ত করছে। এজেন্সি দিয়ে অপমান করা হচ্ছে। বাংলার মানুষের কোমর ভেঙে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে- এই লড়াই আপনাকে লড়তে হবে।

  • গায়ের জোরের বিরুদ্ধে কেউ ভয়ে কথা বলেন না। কিন্তু আমি ভয় পাই না। আমি বন্দুকের সামনে দাঁড়িয়ে লড়াই করতে জানি। মনে রাখবেন মৃত বাঘের থেকে আহত বাঘ আরও ভয়ঙ্কর।

  • বিজেপি একটা চোরেদের দল। ভোটের সময় টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করে। বলতে পারেন, কেন মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, কর্নাটকে টাকা দিয়ে সরকার ভেঙে দেওয়া হবে।

  • দাদাভাই সঙ্গী হয়েছেন। এক দাদা এক ভাই। দুজনে মিলে প্ল্যান করুন উন্নয়নের। কিন্তু যদি মনে করেন, এজেন্সি দিয়ে আর এখানকার কিছু সিপিএমকে হাত করে বাংলা চালাবেন তা হবে না।

  • গুজরাত কি সব রাজ্যকে শাসন করবে? তা হলে আর নির্বাচন কমিশন থাকার দরকার কী। তুলে দিন। একটা দেশ একটাই রাজনৈতিক দল থাকুক।

  • আগামী ২১ মে বদলা নিয়ে বিজেপির জামানত বাজেয়াপ্ত করে দিন। বাংলা যে বহিরাগত চালাবে না, বাংলার লোকই চালাবে তা প্রমাণ করে দিতে হবে।

  • ২১ জুলাইয়ের তাই এটাই আহ্বান জনগণ সাবধান। বিজেপির সাথে আছে অনেক অনেক টাকা এবং ‘গান’। কোনও দিন যদি ভুল করে ওদের বিশ্বাস করেন তা হলে জীবনও যাবে জীবিকাও যাবে।

source - the wall

Comments