লালা লাজপত রায় হাসপাতালের এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, ওই তরুণীর শরীরের ৯০- শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। মঙ্গলবার তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। চিকিৎসকদের একটি দল সর্বক্ষণ তাঁর সেবা করছিলেন। কিন্তু সব চেষ্টাই ব্যর্থ হল।
ফতেপুরের সার্কেল অফিসার কপিল দেব মিশ্র জানিয়েছেন, হুসেনগঞ্জ থানা এলাকার একটি গ্রামে ওই তরুণীর বাড়ি। শনিবার তিনি যখন বাড়িতে একা ছিলেন, তখনই সেখানে গিয়ে তাঁকে ধর্ষণের পর গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয় ২২ বছর বয়সি ওই যুবক। ওই তরুণীর চিৎকার শুনতে পেয়ে ছুটে গিয়ে তাঁকে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান প্রতিবেশীরা। সেখান থেকে তাঁকে পাঠানো হয় কানপুরের হাসপাতালে। ওই তরুণীর বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর করা হয়েছে। অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
পুলিশ সূত্রে আরও খবর, প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবকের সঙ্গে মৃত তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এ বিষয়ে শুক্রবার দুই পরিবারের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিল পঞ্চায়েত। সেখানে বিয়ের কথা হয়। দুই পরিবার বিয়েতে রাজিও হয়। তার পরের দিনই এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
Comments
Post a Comment