'দারুণ জয়। উত্তরপ্রদেশ উপনির্বাচনের জন্য মায়াবতীজি, অখিলেশ যাদবজিকে অভিনন্দন। শেষের শুরুর সূচনা হল।' মমতা ব্যানার্জির এই টুইটটিই বিহার, উত্তরপ্রদেশের উপনির্বাচনে বিজেপি-র ভরাডুবির দিনের সুর বেঁধে দিল। মুখ্যমন্ত্রীর এই টুইটটি রিটুইট করেন রাজদ প্রধান লালুপ্রসাদ যাদব। জুড়ে দেন, 'ধন্যবাদ দিদি। আমরা লড়ছি। আমরা লড়ব। আমরা জিতব।' লালুপ্রসাদের ছেলে, বিহারের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রীর তেজস্বী যাদব টুইটারে লিখেছেন, 'আপনারা লালুকে নয়। এক মতাদর্শকে বন্দি করেছেন। ওই মতাদর্শই আপনাদের অহঙ্কার ভেঙে তছনছ করে ছেড়েছে।' আর উজ্জীবিত অখিলেশ যাদব এই জয়ের জন্য মায়াবতীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, গত বছর এই জোট তৈরি করলে তাঁরা বিধানসভা ভোটে হারতেন না। তাঁর মতে, এই হার কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার ও রাজ্যের আদিত্যনাথ যোগী সরকার উভয়েরই হার। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'আমি জানতাম আমি অনগ্রসর। কিন্তু ওরা বলল, আমাদের জোট সাপ আর ইঁদুরের জোট।' মানুষ তার জবাব দিয়েছেন বলে দাবি করে অখিলেশ বলেন, এখন বিজেপি-র অপশাসনের বিরুদ্ধে জোট বাঁধছেন বলে দাবি করে তিনি বলেন, 'ওরা মিথ্যা স্বপ্ন দেখিয়েছে। একটা প্রতিশ্রুতিও পালন করেনি।' মায়াবতী অবশ্য সন্ধে পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি।
বিহার-উত্তরপ্রদেশের লোকসভা উপনির্বাচনে বিজেপি মুখ থুবড়ে পড়ায় ভরসা পেয়েছেন জেডিইউয়ের বিক্ষুব্ধ নেতা শারদ যাদব। বলেছেন, 'দেওয়াল লিখন বলছে, আলাদা আলাদা লড়লে ডুবতে হবে। আর একজোট হলে নিজেও বাঁচতে পারবেন, দেশও বাঁচবে।' বিরোধীরা মিলে কি ২০১৯-এ জোট বাঁধছে? শারদের জবাব, 'সেই প্রক্রিয়াই চলছে।' বিহারে নিজেদের আসন ধরে রেখেছে লালুপ্রসাদের দল। নীতীশ কুমার জোট ভেঙে বিজেপি-র সঙ্গে চলে যাওয়ার পরেও এভাবে আসন ধরে রাখা যথেষ্টই কৃতিত্বের। আর এবার প্রচারে নেতৃত্ব দিয়েছেন তেজস্বী। প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন নিজেদের জয়ের, ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছেন অখিলেশকে। আর সেইসঙ্গেই জানিয়ে দিয়েছেন, কংগ্রেসকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে হবে বিরোধীদের। উল্টোদিকে মানুষের রায় মেনে নেওয়া ছাড়া কিছুই করার ছিল না বিহারের বিজেপি নেতা সুশীলকুমার মোদির। সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন, 'আমরা মানু্ষের রায়কে সম্মান জানাই। জয়ী প্রার্থীদের অভিনন্দন।' সন্ধে পর্যন্ত মুখ খোলেননি নীতীশ কুমার।
উত্তরপ্রদেশে প্রায় শেষ মুহূর্তে জোট করে অখিলেশ যাদবের সপা এবং মায়াবতীর বসপা। সেই চালেই মাত হয়েছে বিজেপি শিবির। আজ একে একে আসনে বুয়া ও বাবুয়ার প্রার্থীদের এগোনোর খবরে থেকে থেকে স্লোগান ওঠে, 'বুয়া-বাবুয়া জিন্দাবাদ/ বুয়া-ভতিজা জিন্দাবাদ'। এই জয়কে স্বাগত জানিয়েছেন সিপিএম সাংসদ মহম্মদ সেলিম। এই জয় আগামী বছরের লোকসভা নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে, মত তাঁর। তাঁর মতে, 'সপা-বসপা এক হওয়ায় কেন্দ্রে ও রাজ্যে বিজেপি-র বিরুদ্ধে ভোটদাতারা ক্ষোভ উগরে দেওয়ার যুযোগ পেয়েছেন। সপা-বসপা দু'দলেরই মতানৈক্য ছিল। তবে গণতন্ত্রের স্বার্থে সেস ব দূরে রেখেছে তারা।' সিপিআই নেতা ডি রাজা বলেছেন, 'উপনির্বাচনের ফলাফল প্রমাণ করল বিজেপি অজেয় নয়। ধর্মনিরপেক্ষ, গণতন্ত্রকামী দলগুলোকে একত্রিত হওয়ার রসদ দিল।'
বিহার-উত্তরপ্রদেশের লোকসভা উপনির্বাচনে বিজেপি মুখ থুবড়ে পড়ায় ভরসা পেয়েছেন জেডিইউয়ের বিক্ষুব্ধ নেতা শারদ যাদব। বলেছেন, 'দেওয়াল লিখন বলছে, আলাদা আলাদা লড়লে ডুবতে হবে। আর একজোট হলে নিজেও বাঁচতে পারবেন, দেশও বাঁচবে।' বিরোধীরা মিলে কি ২০১৯-এ জোট বাঁধছে? শারদের জবাব, 'সেই প্রক্রিয়াই চলছে।' বিহারে নিজেদের আসন ধরে রেখেছে লালুপ্রসাদের দল। নীতীশ কুমার জোট ভেঙে বিজেপি-র সঙ্গে চলে যাওয়ার পরেও এভাবে আসন ধরে রাখা যথেষ্টই কৃতিত্বের। আর এবার প্রচারে নেতৃত্ব দিয়েছেন তেজস্বী। প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন নিজেদের জয়ের, ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছেন অখিলেশকে। আর সেইসঙ্গেই জানিয়ে দিয়েছেন, কংগ্রেসকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে হবে বিরোধীদের। উল্টোদিকে মানুষের রায় মেনে নেওয়া ছাড়া কিছুই করার ছিল না বিহারের বিজেপি নেতা সুশীলকুমার মোদির। সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন, 'আমরা মানু্ষের রায়কে সম্মান জানাই। জয়ী প্রার্থীদের অভিনন্দন।' সন্ধে পর্যন্ত মুখ খোলেননি নীতীশ কুমার।
উত্তরপ্রদেশে প্রায় শেষ মুহূর্তে জোট করে অখিলেশ যাদবের সপা এবং মায়াবতীর বসপা। সেই চালেই মাত হয়েছে বিজেপি শিবির। আজ একে একে আসনে বুয়া ও বাবুয়ার প্রার্থীদের এগোনোর খবরে থেকে থেকে স্লোগান ওঠে, 'বুয়া-বাবুয়া জিন্দাবাদ/ বুয়া-ভতিজা জিন্দাবাদ'। এই জয়কে স্বাগত জানিয়েছেন সিপিএম সাংসদ মহম্মদ সেলিম। এই জয় আগামী বছরের লোকসভা নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে, মত তাঁর। তাঁর মতে, 'সপা-বসপা এক হওয়ায় কেন্দ্রে ও রাজ্যে বিজেপি-র বিরুদ্ধে ভোটদাতারা ক্ষোভ উগরে দেওয়ার যুযোগ পেয়েছেন। সপা-বসপা দু'দলেরই মতানৈক্য ছিল। তবে গণতন্ত্রের স্বার্থে সেস ব দূরে রেখেছে তারা।' সিপিআই নেতা ডি রাজা বলেছেন, 'উপনির্বাচনের ফলাফল প্রমাণ করল বিজেপি অজেয় নয়। ধর্মনিরপেক্ষ, গণতন্ত্রকামী দলগুলোকে একত্রিত হওয়ার রসদ দিল।'

Good good very good 👌
ReplyDelete