খুন নয়, উন্নয়নের প্রতিযোগিতা চাই : মুখ্যমন্ত্রী


অন্তরালে থেকেই পাহাড়ে ফেরা ও অনুগামীদের একজোট করার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন বিমল গুরুং। নতুন করে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা শুরু হয়েছে বলেও খবর। তাই ফের একবার দার্জিলিংবাসীকে সতর্ক করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সতর্ক করলেন পুলিশ প্রশাসনকেও। শিল্প সম্মেলনের মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, “খুনের প্রতিযোগিতা চাই না। উন্নয়নের প্রতিযোগিতা চাই। পাহাড়ের বাসিন্দাদের সমস্যার সমাধান চাই। তাই বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান প্রয়োজন। শান্তিরক্ষা করলে শিল্পের প্রসার নিশ্চিত। দিল্লির কাছে অনুরোধ একটি আসন নিশ্চিত করতে কাউকে কাউকে মদত দেবেন না। দার্জিলিং ছাড়াও লাভা, লোলেগাও, সান্দাকফু, মিরিক-সহ পাহাড়ের সার্বিক উন্নয়ন করতে চাই। নতুন দার্জিলিং গড়তে চাই।” 


আজ সম্মেলনের শুরুতে শিল্পপতিদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এখানে পর্যটন ছাড়াও কৃষি, অর্কিড, ওষুধ কারখানা, তথ্যপ্রযুক্তি পার্ক গড়ে তোলা যেতে পারে। ইন্ডাস্ট্রি মানে শুধু বড় শিল্প নয়। ছোটো ছোটো শিল্পও গড়তে পারেন। সরকার সবদিক দিয়ে বিনিয়োগকারীদের পাশে থাকবে।” দার্জিলিংবাসীর উদ্দেশে বলেন, “এখানে যতবার আসি, নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রেও এত সময় দিই না। এলাকায় শান্তি রাখুন। অশান্তি তৈরি করে নেতারা ফায়দা তোলেন। বিপথে যায় ছাত্র-যুবরাই। আজ বাংলা মানেই বিজ়নেস। বহু ক্ষেত্রে আমরা এক নম্বর। সাগর থেকে পাহাড়, সর্বত্র আমরা এগোচ্ছি। পাহাড়ে এর আগে বনধ হয়েছে। তাতে সবচেয়ে বেশি ভুগতে হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। আপনাদের বিকল্প মতামত থাকলে আলচনায় আসুন। আলোচনায় আপত্তি নেই। জনে জনে সন্তুষ্ট করতে না পারলেও সমষ্টির উন্নয়ন করতে চাই। ভোট চাইতে আসি না। উন্নয়নের জন্য আসি।” 

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দেখুন আজ কাঞ্চনজঙ্ঘা হাসছে।” এরপর তিনি বলেন, “GTA চেয়ারম্যান প্রস্তাব দিয়েছিলেন শিল্প সম্মেলনের। এক মাসের মধ্যে আজ তা করলাম। চলুন একসঙ্গে উন্নয়নের অংশীদার হই। এগিয়ে আসুন সকলে। আমি বিশ্বাস করি শান্তি থাকলে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ হবেই।”

Comments