তৃতীয় ফ্রন্ট গঠনের প্রক্রিয়া ও একইসঙ্গে বিজেপি বিরোধিতায় সুর সপ্তমে চড়ানো। উত্তরপ্রদেশ ও বিহারের লোকসভা ও উপনির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর এই দুটোই একসঙ্গে শুরু করে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মমতা বহুদিন ধরেই কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারের বিরোধিতায় সরব হয়েছেন। আঞ্চলিক দলগুলিকে সঙ্গে নিয়ে বড় জোট গড়ে আগামী লোকসভা ভোটে কেন্দ্রের ক্ষমতা দখলের প্রস্তাব দিয়েছেন। সেই পথে তিনি এগোচ্ছেন। উত্তরপ্রদেশে সপা-বসপা জোটের সাফল্য ও বিহারে আরজেডি-র আরারিয়া আসনে জেতা মমতাকে উৎফুল্ল করেছে। যোগী আদিত্যনাথের গোরক্ষপুর আসনে বিজেপিকে হারিয়েছে সপা ও বসপার জোট। এদিকে ফুলপুরেও একই অবস্থা। বিজেপিকে গো-হারা হারতে হয়েছে। আরারিয়ায় বিজেপি প্রথমে এগিয়ে থাকলেও পরে আরজেডি ক্ষমতা দখল করেছে। বিহার আরও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ দুটি কারণে। প্রথমত আরজেডি-জেডিইউ জোট ভেঙে বিজেপির হাত ধরেছেন নীতীশ কুমার। তার মধ্যে লড়তে হয়েছে আরজেডিকে। এবং এই মুহূর্তে লালুপ্রসাদ যাদব পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় দোষী হয়ে জেলে রয়েছেন।
এই অবস্থায় বিহারে জয় বিরোধী জোটের জন্য কম কথা নয়। আর তা দেখেই বিজেপিকে হুঙ্কার দিয়ে সমঝে গিয়েছেন মমতা। তিনি আঞ্চলিক দলগুলিকে সঙ্গে নিয়ে বিকল্প জোটের রাস্তা খুলে যেতে দেখছেন। এই দলগুলি জোট বাঁধলে কেন্দ্রে প্রেসার গ্রুপ তৈরি হবে। যা ২০১৯ সালের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে দেবে।
এদিন মমতা টুইটারে সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব, বসপা-র মায়াবতী ও আরজেডি-কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বিহারের জয়কে অসাধারণ বলে ব্যাখ্যা করেছেন মমতা। আর উত্তরপ্রদেশের জয় দেখে বলেছেন, বিজেপির শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রসঙ্গত, সপা, বসপা, তৃণমূল, এআইএডিএমকে, ডিএমকে, আপ, টিডিপি, টিআরএস, শিবসেনা সহ একাধিক দলকে সঙ্গে নিয়ে যদি তৃতীয় ফ্রন্ট তৈরি হয় তাহলে তার নেতৃত্বে কে থাকবেন তা নিয়েও আগ্রহ অবশ্যই থাকবে। কারণ প্রতিবারই লোকসভা ভোটের আগে একটি করে কেন্দ্র বিরোধী মঞ্চ তৈরি হয়, আবার তা ভেঙেও যায়। এবার দেখার তা কতটা মজবুত ভিতের উপরে তৈরি হয়।
Source - One India
মমতা বহুদিন ধরেই কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারের বিরোধিতায় সরব হয়েছেন। আঞ্চলিক দলগুলিকে সঙ্গে নিয়ে বড় জোট গড়ে আগামী লোকসভা ভোটে কেন্দ্রের ক্ষমতা দখলের প্রস্তাব দিয়েছেন। সেই পথে তিনি এগোচ্ছেন। উত্তরপ্রদেশে সপা-বসপা জোটের সাফল্য ও বিহারে আরজেডি-র আরারিয়া আসনে জেতা মমতাকে উৎফুল্ল করেছে। যোগী আদিত্যনাথের গোরক্ষপুর আসনে বিজেপিকে হারিয়েছে সপা ও বসপার জোট। এদিকে ফুলপুরেও একই অবস্থা। বিজেপিকে গো-হারা হারতে হয়েছে। আরারিয়ায় বিজেপি প্রথমে এগিয়ে থাকলেও পরে আরজেডি ক্ষমতা দখল করেছে। বিহার আরও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ দুটি কারণে। প্রথমত আরজেডি-জেডিইউ জোট ভেঙে বিজেপির হাত ধরেছেন নীতীশ কুমার। তার মধ্যে লড়তে হয়েছে আরজেডিকে। এবং এই মুহূর্তে লালুপ্রসাদ যাদব পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় দোষী হয়ে জেলে রয়েছেন।
এই অবস্থায় বিহারে জয় বিরোধী জোটের জন্য কম কথা নয়। আর তা দেখেই বিজেপিকে হুঙ্কার দিয়ে সমঝে গিয়েছেন মমতা। তিনি আঞ্চলিক দলগুলিকে সঙ্গে নিয়ে বিকল্প জোটের রাস্তা খুলে যেতে দেখছেন। এই দলগুলি জোট বাঁধলে কেন্দ্রে প্রেসার গ্রুপ তৈরি হবে। যা ২০১৯ সালের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে দেবে।
এদিন মমতা টুইটারে সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব, বসপা-র মায়াবতী ও আরজেডি-কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বিহারের জয়কে অসাধারণ বলে ব্যাখ্যা করেছেন মমতা। আর উত্তরপ্রদেশের জয় দেখে বলেছেন, বিজেপির শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রসঙ্গত, সপা, বসপা, তৃণমূল, এআইএডিএমকে, ডিএমকে, আপ, টিডিপি, টিআরএস, শিবসেনা সহ একাধিক দলকে সঙ্গে নিয়ে যদি তৃতীয় ফ্রন্ট তৈরি হয় তাহলে তার নেতৃত্বে কে থাকবেন তা নিয়েও আগ্রহ অবশ্যই থাকবে। কারণ প্রতিবারই লোকসভা ভোটের আগে একটি করে কেন্দ্র বিরোধী মঞ্চ তৈরি হয়, আবার তা ভেঙেও যায়। এবার দেখার তা কতটা মজবুত ভিতের উপরে তৈরি হয়।
Source - One India

Comments
Post a Comment