ছ’বছরের উন্নয়নের প্রচারে মা-মাটি-মানুষের সরকার
গত ছ’বছরে পঞ্চায়েত স্তরে সরকারের কাজ নিয়ে ব্যাপক প্রচারের নির্ঘণ্ট তৈরী করেছে রাজ্য সরকার। চলতি মাসে সব জেলায় তিন দিন ব্যাপী এই প্রচারের মূল স্লোগান —‘মানুষের সঙ্গে মা-মাটি-মানুষের সরকার’।
নবান্ন সূত্রের খবর, ১৫টি জেলায় ২১-২৩ মার্চ এই কর্মসূচী চলবে। ২২-২৪ মার্চ অনুষ্ঠান হবে বাকি আটটি জেলায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, জেলার মূল এলাকায় (যেখানে জনসমাগম সবচেয়ে বেশি) প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সাফল্য দেখানো হবে ‘জায়েন্ট স্ক্রিনে’। এ জন্য তৈরী করা হয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ্যের তথ্যচিত্র। বিকেল ৩টে থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ওই অনুষ্ঠানের খবর সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পৃথক ব্র্যান্ডিংয়ের ব্যবস্থাও করেছে রাজ্য। স্থানীয় কেবল টিভি সংস্থাগুলিকে এই প্রচারের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা চলছে।
কলকাতার প্রতিষ্ঠিত অন্তত ১৫০ জন শিল্পী জেলায় জেলায় গিয়ে অনুষ্ঠান করবেন। থাকবেন জেলার শিল্পী, লোকপ্রসার প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত লোকশিল্পীরাও। প্রধানত ঘেরা এলাকায় প্রদর্শনী এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। শব্দবিধি মানার ব্যাপারেও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলাগুলিকে।’
প্রতিটি মহকুমায় একটি বিশেষ ট্যাবলো প্রতিটি এলাকায় ঘুরে ঘুরে সরকারি সাফল্যের প্রচার চালাবে। দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য ট্যাবলোয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি, গোটা রাজ্যে ছ’টি এলইডি ট্যাবলো ঘোরানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। মূল প্রদর্শনীর অডিও-ভিস্যুয়াল উপস্থাপনাও ট্যাবলোয় দেখানো হবে।
শুধু সাফল্য প্রচারই নয়, সূত্রের খবর, প্রতিটি জেলার প্রদর্শনীতে একটি করে ‘ইনফর্মেশন কিয়স্ক’ রাখা হবে। সেখানে থাকবেন জেলা প্রশাসনের পদস্থ আধিকারিকেরা।
সরকারের প্রকল্প, তার সুবিধা, কী ভাবে সেই প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করা যায়—এই সব তথ্য যে কেউ জানতে পারবেন কিয়স্ক থেকে। এক আধিকারিক বলেন,“কেউ চাইলে প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করার কোনও সমস্যার কথাও জানাতে পারবেন। তাঁকে ঠিক পথ দেখানোর চেষ্টা করা হবে সঙ্গে সঙ্গেই।”
গত ছ’বছরে পঞ্চায়েত স্তরে সরকারের কাজ নিয়ে ব্যাপক প্রচারের নির্ঘণ্ট তৈরী করেছে রাজ্য সরকার। চলতি মাসে সব জেলায় তিন দিন ব্যাপী এই প্রচারের মূল স্লোগান —‘মানুষের সঙ্গে মা-মাটি-মানুষের সরকার’।
নবান্ন সূত্রের খবর, ১৫টি জেলায় ২১-২৩ মার্চ এই কর্মসূচী চলবে। ২২-২৪ মার্চ অনুষ্ঠান হবে বাকি আটটি জেলায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, জেলার মূল এলাকায় (যেখানে জনসমাগম সবচেয়ে বেশি) প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সাফল্য দেখানো হবে ‘জায়েন্ট স্ক্রিনে’। এ জন্য তৈরী করা হয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ্যের তথ্যচিত্র। বিকেল ৩টে থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ওই অনুষ্ঠানের খবর সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পৃথক ব্র্যান্ডিংয়ের ব্যবস্থাও করেছে রাজ্য। স্থানীয় কেবল টিভি সংস্থাগুলিকে এই প্রচারের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা চলছে।
কলকাতার প্রতিষ্ঠিত অন্তত ১৫০ জন শিল্পী জেলায় জেলায় গিয়ে অনুষ্ঠান করবেন। থাকবেন জেলার শিল্পী, লোকপ্রসার প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত লোকশিল্পীরাও। প্রধানত ঘেরা এলাকায় প্রদর্শনী এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। শব্দবিধি মানার ব্যাপারেও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলাগুলিকে।’
প্রতিটি মহকুমায় একটি বিশেষ ট্যাবলো প্রতিটি এলাকায় ঘুরে ঘুরে সরকারি সাফল্যের প্রচার চালাবে। দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য ট্যাবলোয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি, গোটা রাজ্যে ছ’টি এলইডি ট্যাবলো ঘোরানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। মূল প্রদর্শনীর অডিও-ভিস্যুয়াল উপস্থাপনাও ট্যাবলোয় দেখানো হবে।
শুধু সাফল্য প্রচারই নয়, সূত্রের খবর, প্রতিটি জেলার প্রদর্শনীতে একটি করে ‘ইনফর্মেশন কিয়স্ক’ রাখা হবে। সেখানে থাকবেন জেলা প্রশাসনের পদস্থ আধিকারিকেরা।
সরকারের প্রকল্প, তার সুবিধা, কী ভাবে সেই প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করা যায়—এই সব তথ্য যে কেউ জানতে পারবেন কিয়স্ক থেকে। এক আধিকারিক বলেন,“কেউ চাইলে প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করার কোনও সমস্যার কথাও জানাতে পারবেন। তাঁকে ঠিক পথ দেখানোর চেষ্টা করা হবে সঙ্গে সঙ্গেই।”

Comments
Post a Comment