বাংলার পঞ্চায়েত কাজে মুগ্ধ বিশ্বব্যাঙ্ক। তিন বছরের কাজ মাত্র এক বছরে করে দেখাল, মা মাটি মানুষের সরকার।
FAM4TMC
চলতি বছরেই বিশ্বব্যাঙ্কের থেকে রাজ্যের কয়েক হাজার গ্রাম পঞ্চায়েত এক থেকে দেড় কোটি টাকা করে আর্থিক অনুদান পেতে চলেছে৷ সেই টাকা উন্নয়নের কাজে লাগাতে পারবে পঞ্চায়েতগুলি৷ এর ফলে যে প্রকল্প ২০২২ সাল পর্যন্ত চলার কথা ছিল, তা অনেক আগেই শেষ হয়ে যাবে৷ ‘ইনস্টিটিউশনাল স্ট্রেনদেনিং অফ গ্রাম পঞ্চায়েত’ (আইএসজিপি) প্রকল্পে বিশ্বব্যাঙ্কের টাকায় একবছর আগে শুরু হয়েছিল পঞ্চায়েত আধুনিকীকরণ৷ মোট ১,৩৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগের কথা ছিল বিশ্বব্যাঙ্কের৷ প্রাথমিক পর্যায়ে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা হাতে পায় রাজ্য৷ তা দিয়ে পঞ্চায়েতের পরিকাঠামো উন্নয়ন, পরিষেবার মানোন্নয়ন এবং স্বচ্ছ পঞ্চায়েত ব্যবস্থা গড়ে তুলতে একগুচ্ছ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে৷ বিশ্বব্যাংকের নির্দেশিকা অনুযায়ী , প্রথম বছরে রাজ্যের সামনে লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া ছিল, অন্তত ৫০% গ্রাম পঞ্চায়েতকে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে৷ দ্বিতীয় বছরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬০% এবং তৃতীয় বছরে ছিল ৭০%৷ কিন্তু, এক বছরেই প্রায় ৭০% লক্ষ্যমাত্রা ছুঁয়ে ফেলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার৷ কয়েকদিন আগেই রাজ্যে আইএসজিপি প্রকল্পের কাজ দেখতে এসেছিলেন বিশ্বব্যাঙ্কের প্রতিনিধিরা৷ পঞ্চায়েতের কাজের সাফল্যে তাঁরাও অভিভূত৷ পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘আইএসজিপি প্রকল্পে যে ধরনের কাজ হচ্ছে , তাতে আগামী দিনে রাজ্যের পঞ্চায়েত ব্যবস্থার ভোল পাল্টে যাবে৷বিশ্বব্যাঙ্কের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান আমাদের কাজ দেখে খুশি হয়েছে৷
Source - Ei Samay
চলতি বছরেই বিশ্বব্যাঙ্কের থেকে রাজ্যের কয়েক হাজার গ্রাম পঞ্চায়েত এক থেকে দেড় কোটি টাকা করে আর্থিক অনুদান পেতে চলেছে৷ সেই টাকা উন্নয়নের কাজে লাগাতে পারবে পঞ্চায়েতগুলি৷ এর ফলে যে প্রকল্প ২০২২ সাল পর্যন্ত চলার কথা ছিল, তা অনেক আগেই শেষ হয়ে যাবে৷ ‘ইনস্টিটিউশনাল স্ট্রেনদেনিং অফ গ্রাম পঞ্চায়েত’ (আইএসজিপি) প্রকল্পে বিশ্বব্যাঙ্কের টাকায় একবছর আগে শুরু হয়েছিল পঞ্চায়েত আধুনিকীকরণ৷ মোট ১,৩৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগের কথা ছিল বিশ্বব্যাঙ্কের৷ প্রাথমিক পর্যায়ে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা হাতে পায় রাজ্য৷ তা দিয়ে পঞ্চায়েতের পরিকাঠামো উন্নয়ন, পরিষেবার মানোন্নয়ন এবং স্বচ্ছ পঞ্চায়েত ব্যবস্থা গড়ে তুলতে একগুচ্ছ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে৷ বিশ্বব্যাংকের নির্দেশিকা অনুযায়ী , প্রথম বছরে রাজ্যের সামনে লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া ছিল, অন্তত ৫০% গ্রাম পঞ্চায়েতকে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে৷ দ্বিতীয় বছরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬০% এবং তৃতীয় বছরে ছিল ৭০%৷ কিন্তু, এক বছরেই প্রায় ৭০% লক্ষ্যমাত্রা ছুঁয়ে ফেলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার৷ কয়েকদিন আগেই রাজ্যে আইএসজিপি প্রকল্পের কাজ দেখতে এসেছিলেন বিশ্বব্যাঙ্কের প্রতিনিধিরা৷ পঞ্চায়েতের কাজের সাফল্যে তাঁরাও অভিভূত৷ পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘আইএসজিপি প্রকল্পে যে ধরনের কাজ হচ্ছে , তাতে আগামী দিনে রাজ্যের পঞ্চায়েত ব্যবস্থার ভোল পাল্টে যাবে৷বিশ্বব্যাঙ্কের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান আমাদের কাজ দেখে খুশি হয়েছে৷
Source - Ei Samay

Comments
Post a Comment