উন্নয়নের প্রশ্নে কাউকে রেয়াত করা হবে না। নির্ধারিত কাজ সময়ে শেষ করতে হবে। না হলে শাস্তি অবধারিত। কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
FAM4TMC
উন্নয়নের প্রশ্নে কাউকে রেয়াত করা হবে না। সময়ের কাজ শেষ করতে হবে। না হলে শাস্তি অবধারিত। উত্তর ২৪ পরগণার প্রশাসনিক সভা থেকে জেলার সরকারি আমলাদের এমনই হুঁশিয়ারি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন জেলা প্রশাসনের সরকারি সভাটি অনুষ্ঠিত হয় বারাসতে। সেখানে গোরু পাচার থেকে সীমান্তে বাড়তি নজরদারির প্রশ্নে বাড়তি সতর্কতা জারি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
পঞ্চায়েত ভোটের মুখে জেলায় জেলায় প্রশাসনিক সভা করা শুরু করেছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। ইতিমধ্যে ঝাড়গ্রাম, বীরভূম, নদিয়া, দুই দিনাজপুর, মালদহ ও মুর্শিদাবাদে প্রশাসনিক সভা করেছেন তিনি।
প্রতিটি সভা থেকেই উন্নয়নকেই পাখির চোখ করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিনও তার বিকল্প হয়নি। সভায় হাজির জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা থেকে সাংসদ-বিধায়কদের উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, ''আরও বেশি করে নজর দিন। দেখবেন- রাজ্যবাসী যেন সরকারি প্রকল্পের সুফল থেকে বঞ্চিত না হয়।''
নিম্নমানের চাল সরবরাহ নিয়েও সরব হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ''২টাকা কেজি করে মানুষকে চাল দিতে আমাদের সরকারকে কেজি প্রতি ২০ টাকা ভতুর্কি দিতে হয়। ফলে রাজ্যবাসীকে খারাপ মানের চাল দেওয়া আমি বরদাস্ত করব না।''
সীমান্তে বাড়তি নজরদারির কথা বলেছেন। কেন কিষাণমান্ডির কাজ ঠিকমতো এগোচ্ছে না, সেই প্রশ্ন তুলেছেন। তবে কন্যাশ্রীর প্রশ্নে সন্তোষ প্রকাশ করে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের কন্ঠে শোনা গিয়েছে, ''কন্যাশ্রীর মতো প্রতিটি প্রকল্পেই ১০০ শতাংশ সাকসেস হতে হবে।'' পুর পরিষেবার মানে আরও গতি আনার নির্দেশ দেন। এরপরই গরু পাচার নিয়ে ফের সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেছেন, ''সীমান্তে বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা করুন। রাতের অন্ধকারে পাচার আমি কিন্তু বরদাস্ত করব না।''
Source - কলকাতা ২৪×৭
উন্নয়নের প্রশ্নে কাউকে রেয়াত করা হবে না। সময়ের কাজ শেষ করতে হবে। না হলে শাস্তি অবধারিত। উত্তর ২৪ পরগণার প্রশাসনিক সভা থেকে জেলার সরকারি আমলাদের এমনই হুঁশিয়ারি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন জেলা প্রশাসনের সরকারি সভাটি অনুষ্ঠিত হয় বারাসতে। সেখানে গোরু পাচার থেকে সীমান্তে বাড়তি নজরদারির প্রশ্নে বাড়তি সতর্কতা জারি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
পঞ্চায়েত ভোটের মুখে জেলায় জেলায় প্রশাসনিক সভা করা শুরু করেছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। ইতিমধ্যে ঝাড়গ্রাম, বীরভূম, নদিয়া, দুই দিনাজপুর, মালদহ ও মুর্শিদাবাদে প্রশাসনিক সভা করেছেন তিনি।
প্রতিটি সভা থেকেই উন্নয়নকেই পাখির চোখ করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিনও তার বিকল্প হয়নি। সভায় হাজির জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা থেকে সাংসদ-বিধায়কদের উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, ''আরও বেশি করে নজর দিন। দেখবেন- রাজ্যবাসী যেন সরকারি প্রকল্পের সুফল থেকে বঞ্চিত না হয়।''
নিম্নমানের চাল সরবরাহ নিয়েও সরব হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ''২টাকা কেজি করে মানুষকে চাল দিতে আমাদের সরকারকে কেজি প্রতি ২০ টাকা ভতুর্কি দিতে হয়। ফলে রাজ্যবাসীকে খারাপ মানের চাল দেওয়া আমি বরদাস্ত করব না।''
সীমান্তে বাড়তি নজরদারির কথা বলেছেন। কেন কিষাণমান্ডির কাজ ঠিকমতো এগোচ্ছে না, সেই প্রশ্ন তুলেছেন। তবে কন্যাশ্রীর প্রশ্নে সন্তোষ প্রকাশ করে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের কন্ঠে শোনা গিয়েছে, ''কন্যাশ্রীর মতো প্রতিটি প্রকল্পেই ১০০ শতাংশ সাকসেস হতে হবে।'' পুর পরিষেবার মানে আরও গতি আনার নির্দেশ দেন। এরপরই গরু পাচার নিয়ে ফের সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেছেন, ''সীমান্তে বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা করুন। রাতের অন্ধকারে পাচার আমি কিন্তু বরদাস্ত করব না।''
Source - কলকাতা ২৪×৭

Comments
Post a Comment