বহরমপুর: অধীরের ‘গড়ে’ দাঁড়িয়ে পঞ্চায়েতের ভবিষ্যৎ-বাণী ঘোষণা করে গেলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বললেন, ‘‘আমরাই জিতব৷ আমার ভাই বোনেরা-ই জিতবে৷’’
জনতার কাছে দাবি করলেন, ‘‘মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু, আমরাই সব পরিষেবা দিয়ে থাকি৷ ডিএম অফিসে খোঁজ নিলেই জানতে পারবেন৷ পৃথিবীর কোনও সরকার পারবে না৷’’ কাতর কন্ঠে আবেদন করলেন, ‘‘গুজবে, প্ররোচনায় কান দেবেন না৷’’ বললেন, ‘‘আপনাদের ভাল রাখতে আমি ২৪ ঘণ্টা কাজ করি৷’’
অভিযোগ ঝরে পড়েছে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের কন্ঠে, ‘‘৪৮হাজার কোটি টাকা দেনা করে গেছে সিপিএম৷ সেই টাকাশোধ করতে হচ্ছে৷’’ মনে করিয়ে দিয়েছেন, ‘‘আমরা জনগণের ওপর বোঝা না বাড়িয়ে কাজ করি৷’’এদিনের মঞ্চে শিশুসাথী, খাদ্যসাথী থেকে সমব্যাথী প্রতিটি প্রকল্পের আদ্যন্ত ঘোষণা করে মমতা বলেন, ‘‘সাড়ে ছ’বছরে ৩৯৫টি বৈঠক করেছি৷ জেলায় জেলায় ব্লকে ব্লকে যেতে হয়৷ এটা আমরাই পারি৷’’ তিনি যে বাংলাবাসী-প্রাণ তা প্রমাণ করতে বলেছেন, ‘‘বাজার থেকে ২২ টাকায় চাল কিনে ২ টাকায় দিই৷’’ ঘোষণা করেছেন, ‘‘ যাঁদের বার্ষিক আয় দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত, এপ্রিল থেকে তাঁরা রূপোশ্রীদের জন্য অতিরিক্ত ২৫ হাজার টাকা পাবেন৷ বাড়ছে কন্যাশ্রীর ভাতাও৷’’ যা শুনে হাততালিতে ফেটে পড়েছে সভাস্থল৷
মা-মাটি-মানুষের সরকার কতটা ‘জনমুখী’ তা প্রমাণ করতে ভিড়ে ঠাসা সভায় মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে হয়েছে, ‘‘কেউ মৃতদেহ সৎকার করতে না পারলে সেখানে সরকার আছে৷ আড়াই হাজার টাকা দিচ্ছে৷’’ একই সঙ্গে তাঁর সংযোজন, ‘‘ মনে রাখবেন বাংলার দৃষ্টিভঙ্গি অনেক বড় দৃষ্টিভঙ্গি৷’’ প্রশাসনিক সভা থেকে ফিরেই তিনি যে উন্নয়ন্নের প্রশ্নে জেলা প্রশাসনের সর্বস্তরের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করবেন, তাও স্পষ্ট করেছে.
বলেছেন, ‘‘১০০ দিনের কাজ থেকে সকল কাজ নিয়ে আলোচনা করব৷’’ দাবি করেছেন, ‘‘বাংলার মতো উন্নয়নের বৈঠক আর কোথাও হয় না৷’’
বলেছেন, ‘‘১০০ দিনের কাজ থেকে সকল কাজ নিয়ে আলোচনা করব৷’’ দাবি করেছেন, ‘‘বাংলার মতো উন্নয়নের বৈঠক আর কোথাও হয় না৷’’
সবশেষে মুখ্যমন্ত্রীর মুখে শোনা গিয়েছে, ‘‘মুর্শিদাবাদ জেলার মানুষ আপনাদের এগিয়ে যেতে হবে৷ ভাল থাকতে হবে৷ অনেক ভাঙন দেখেছেন আপনারা৷ আর কোনও ভাঙন নয়৷ আমাদের সঙ্গে আপনারাও এগিয়ে চলুন৷’’
Source - Kolkata 24x7
Comments
Post a Comment