একী অদ্ভুত ‘অচ্ছে দিন’ ! জনগণের লক্ষ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে উধাও হয়ে যাচ্ছেন কর্পোরেট শিল্পপতিরা। আর কেন্দ্রীয় সরকার তাঁদের বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার সেফ প্যাসেজ দিচ্ছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিতে জনগণের গচ্ছিত রাখা টাকার যেভাবে লুটতরাজ চলছে, তাভারতীয় অর্থনীতিকে এক গভীর বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিমত অর্থনীতিবিদদের। এই রাঘব বোয়াল লূটেরাদের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি” অর্থাৎ তাঁরা ইচ্ছা করেই ব্যাঙ্কের ঋণ পরিশোধ করছেন না। দেশের ২১টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে এই রকম ইচ্ছাকৃতভাবে খেলাপ করা ঋণের অঙটি হলো এক লক্ষ ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বিপুল অঙ্কের টাকা আদৌ ফেরত পাওয়া যাবে বলে ব্যাঙ্কগুলি মনে করছে না।
নী্রব মোদির মতো কিংবা বিজয় মালিয়ার মতো কোনও কোনও ঋণ খেলাপি আবার সরাসরি বলেও দিয়েছেন যে তাঁরা ঋণ পরিশোধ করতেই পারবেন না। সবচেয়ে বড় কথা, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলি ইচ্ছাকৃত ঋণ খেলাপিদের কাছে প্রাপ্য এক লক্ষ ১৪ হাজার কোটি টাকা তাদের হিসাব থেকেই মুছে দিয়েছে। যদিও কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছেন, তিনি প্রতিটি পাইপয়সা উদ্ধার করবেন। কিন্তু অর্থনীতিবিদদের প্রশ্ন, উদ্ধার করার কথা কি করে বলছেন অর্থমন্ত্রী ?
ব্যাঙ্কগুলি যখন হিসাব থেকেই ওই টাকার অঙ্কটি মুছে দিয়েছে, তখন উদ্ধার করবেন বলে তিনি ঢাক বাজাচ্ছেন কিসের ভিত্তিতে ? তাঁদের বক্তব্য আসলে অচ্ছে দিনের মতো এই টাকা উদ্ধারের গল্পটিও একটি মরীচিকা ছাড়া আর কিছুই নয়।
একদিকে কর্পোরেট সংস্থাগুলি জনগণের গচ্ছিত কষ্টার্জিত টাকালুট করে চম্পট দিচ্ছে, অন্যদিকে কেন্দ্রীয় বাজেটে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিকে মূলধনের যোগান দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষ থেকে চলতি বছর পর্যন্ত ইন্দ্রধনূষ প্রকল্পে এক লক্ষ ৩১ হাজার কোটি টাকা মূলধন যোগান দেওয়া হয়েছে। অর্থনীতিবিদরা প্রশ্ন তুলেছেন, এই টাকার উৎস কী বলে। সরকারি কোষাগারে এই বিপুল অর্থের সংস্থান নেই। ফলে সরকারকে এই মূলধন বরাদ্দের জন্য নিশ্চিতভাবেই টাকা ছাপানোর রাস্তায় হাঁটতে হচ্ছে। ফলে অনিবার্য হয়ে উঠছে মুদ্রাস্ফীতি। সেই কারণেই প্রতিদিনই বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। কমছে ক্রয়ক্ষমতা, বাড়ছে বেকারি।
২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, বিদেশ থেকে কালো টাকা উদ্ধার করে এনে সাধারণ মানুষের ব্যাঙ্ক আমানতে ১৫ লাখ টাকা করে ফেলে দেবেন। কিন্তু ওই প্রতিশ্রুতি দেওয়ার চার বছর পরে দেখা যাচ্ছে টাকা ফেরত আনা তো দুরের কথা, উল্টে বিজয়
মালিয়া, নীরব মোদি, মেহুল চোকসিরা জনগণের টাকা লুট করে বিদেশে পালিয়ে যাচ্ছেন আর নরেন্দ্র মোদি তাঁর মন কি বাত-এ গোবরের কার্যকারিতা বর্ণনা করছেন। বিজেপির অচ্ছে দিন আসলে কর্পোরেটদের অচ্ছে দিন, সাধারণ মানুষের নয়, বলছেন অর্থনীতিবিদরা।
Source - Best Bengal
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিতে জনগণের গচ্ছিত রাখা টাকার যেভাবে লুটতরাজ চলছে, তাভারতীয় অর্থনীতিকে এক গভীর বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিমত অর্থনীতিবিদদের। এই রাঘব বোয়াল লূটেরাদের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি” অর্থাৎ তাঁরা ইচ্ছা করেই ব্যাঙ্কের ঋণ পরিশোধ করছেন না। দেশের ২১টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে এই রকম ইচ্ছাকৃতভাবে খেলাপ করা ঋণের অঙটি হলো এক লক্ষ ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বিপুল অঙ্কের টাকা আদৌ ফেরত পাওয়া যাবে বলে ব্যাঙ্কগুলি মনে করছে না।
নী্রব মোদির মতো কিংবা বিজয় মালিয়ার মতো কোনও কোনও ঋণ খেলাপি আবার সরাসরি বলেও দিয়েছেন যে তাঁরা ঋণ পরিশোধ করতেই পারবেন না। সবচেয়ে বড় কথা, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলি ইচ্ছাকৃত ঋণ খেলাপিদের কাছে প্রাপ্য এক লক্ষ ১৪ হাজার কোটি টাকা তাদের হিসাব থেকেই মুছে দিয়েছে। যদিও কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছেন, তিনি প্রতিটি পাইপয়সা উদ্ধার করবেন। কিন্তু অর্থনীতিবিদদের প্রশ্ন, উদ্ধার করার কথা কি করে বলছেন অর্থমন্ত্রী ?
ব্যাঙ্কগুলি যখন হিসাব থেকেই ওই টাকার অঙ্কটি মুছে দিয়েছে, তখন উদ্ধার করবেন বলে তিনি ঢাক বাজাচ্ছেন কিসের ভিত্তিতে ? তাঁদের বক্তব্য আসলে অচ্ছে দিনের মতো এই টাকা উদ্ধারের গল্পটিও একটি মরীচিকা ছাড়া আর কিছুই নয়।
একদিকে কর্পোরেট সংস্থাগুলি জনগণের গচ্ছিত কষ্টার্জিত টাকালুট করে চম্পট দিচ্ছে, অন্যদিকে কেন্দ্রীয় বাজেটে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিকে মূলধনের যোগান দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষ থেকে চলতি বছর পর্যন্ত ইন্দ্রধনূষ প্রকল্পে এক লক্ষ ৩১ হাজার কোটি টাকা মূলধন যোগান দেওয়া হয়েছে। অর্থনীতিবিদরা প্রশ্ন তুলেছেন, এই টাকার উৎস কী বলে। সরকারি কোষাগারে এই বিপুল অর্থের সংস্থান নেই। ফলে সরকারকে এই মূলধন বরাদ্দের জন্য নিশ্চিতভাবেই টাকা ছাপানোর রাস্তায় হাঁটতে হচ্ছে। ফলে অনিবার্য হয়ে উঠছে মুদ্রাস্ফীতি। সেই কারণেই প্রতিদিনই বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। কমছে ক্রয়ক্ষমতা, বাড়ছে বেকারি।
২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, বিদেশ থেকে কালো টাকা উদ্ধার করে এনে সাধারণ মানুষের ব্যাঙ্ক আমানতে ১৫ লাখ টাকা করে ফেলে দেবেন। কিন্তু ওই প্রতিশ্রুতি দেওয়ার চার বছর পরে দেখা যাচ্ছে টাকা ফেরত আনা তো দুরের কথা, উল্টে বিজয়
মালিয়া, নীরব মোদি, মেহুল চোকসিরা জনগণের টাকা লুট করে বিদেশে পালিয়ে যাচ্ছেন আর নরেন্দ্র মোদি তাঁর মন কি বাত-এ গোবরের কার্যকারিতা বর্ণনা করছেন। বিজেপির অচ্ছে দিন আসলে কর্পোরেটদের অচ্ছে দিন, সাধারণ মানুষের নয়, বলছেন অর্থনীতিবিদরা।
Source - Best Bengal

Comments
Post a Comment